Description:বঙ্গের সীমানার ভেতর সর্বপ্রাচীন যে সভ্যতার কথা এখনও পর্যন্ত জানা গেছে তা হল গঙ্গারিডি বা গাঙ্গারডিহি বা গঙ্গাহৃদি সভ্যতা। মজার বিষয়, সমসাময়িক ভারতীয় কোনো লেখকের গ্রন্থে এর উদাহরণ তেমনভাবে নেই। মূলত গ্রিক পর্যটক-লেখকদের কলমে আর প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে দিয়ে এই সভ্যতার খোঁজ। কেন সেভাবে ভারতীয় লেখকের কলমে উঠে আসেনি বঙ্গের এই সভ্যতার কথা --- গবেষণার বিষয় হতেই পারে তা।প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গঙ্গারিডি সভ্যতার যে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলি আমরা পেয়েছি তার ভিতরে একহাতে জোড়া মাছ আর মাথায় চুলের মতো শস্য তথা ধান নিয়ে এক দেবীমূর্তি ছিল। মনে করা হয় এটি সমৃদ্ধির দেবী --- বঙ্গে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম অন্নদাত্রী দেবীমূর্তি। তারমানে বাঙালি তখন মাছে-ভাতে এক সমৃদ্ধ জাতি। তাম্রলিপ্ত, মহাস্থানগড় এসব তার নিদর্শন। বাঙালি তখন সারা পৃথিবীতে আখের গুড় সরবরাহ করছে, পরবর্তীতে চিনি-খণ্ড, স্ফটিক চিনি। ফলে চাল থেকে পিঠে, গুড়, পায়েস --- সমৃদ্ধ বাঙালির পাতে সহ-পদ হিসাবে মিষ্টি স্বাভাবিক বিষয়।এই গ্রন্থের পরিধি প্রায় ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে মোটামুটি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। ফলত চর্যাপদ, মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য, চৈতন্যকাব্য, অনুবাদকাব্য থেকে তুলে আনা হয়েছে মিষ্টির উদাহরণ, বিবর্তন। দুই-আড়াই বছরের বিরামহীন পঠন আর চিন্তনের ফসল এই গ্রন্থ। বিভিন্ন ক্ষেত্রের বেশকিছু মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও আলোচনা এই গ্রন্থকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। সহজ ভাষায় সকল পাঠকের কথা ভেবে এই গ্রন্থে রাজনৈতিক প্রভাব, সামাজিক প্রভাব, অর্থনীতি, ধর্ম, শহর, ছাপাখানা ইত্যাদির প্রভাব কীভাবে মিষ্টির ইতিহাসে জায়গা করে নিচ্ছে দেখানো হয়েছে তাও। এমনকি ভারতের অন্যান্য অংশ বা ভারতের বাইরে থেকে আসা মিষ্টি কীভাবে বঙ্গীকরণ হয়ে নতুন রূপে বাঙালির মিষ্টি হয়ে উঠছে, আলোচনায় এসেছে সেটিও।বিষয় সূচিঃ১. মধুর বচন২. বঙ্গের প্রাচীন সভ্যতার মিষ্টান্ন৩. বৈদিক ও আদিযুগে মিষ্টান্ন৪. আখচাষ ও গৌড়দেশ৫. মধ্যযুগ ও মঙ্গলকাব্যে মিষ্টান্ন৬. চৈতন্যদেব ও মিষ্টান্ন৭. বাঙালির অনূদিত মহাকাব্যে মিষ্টান্ন৮. বাঙালির নিজস্ব মিষ্টি দই৯. খাজা১০. লাড্ডু বা নাড়ু১১. বাঙালির মিষ্টির হেঁসেলে ডাল১২. বাংলায় ছানা ও মিষ্টি১৩. রসে ভরা গোল্লা রসগোল্লা১৪. হেলভা থেকে বাঙালির হালুয়া১৫. মোরব্বা আবার মিষ্টি নাকি?১৬. বাংলার কিছু প্রাচীন মিষ্টি এবং তার অবস্থা১৭. কিছু টিকে যাওয়া কিছু হারিয়ে যাওয়া ঘরোয়া মিষ্টি১৮. মিষ্টির ধর্ম, ধর্মের মিষ্টি১৯. বাংলায় কেক ও বেকারি২০. কলকাতায় পণ্য হিসাবে মিষ্টি২১. শেষ পাতে মিষ্টি হোকWe have made it easy for you to find a PDF Ebooks without any digging. And by having access to our ebooks online or by storing it on your computer, you have convenient answers with বঙ্গের মিষ্টান্ন সংস্কৃতি. To get started finding বঙ্গের মিষ্টান্ন সংস্কৃতি, you are right to find our website which has a comprehensive collection of manuals listed. Our library is the biggest of these that have literally hundreds of thousands of different products represented.
Description: বঙ্গের সীমানার ভেতর সর্বপ্রাচীন যে সভ্যতার কথা এখনও পর্যন্ত জানা গেছে তা হল গঙ্গারিডি বা গাঙ্গারডিহি বা গঙ্গাহৃদি সভ্যতা। মজার বিষয়, সমসাময়িক ভারতীয় কোনো লেখকের গ্রন্থে এর উদাহরণ তেমনভাবে নেই। মূলত গ্রিক পর্যটক-লেখকদের কলমে আর প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে দিয়ে এই সভ্যতার খোঁজ। কেন সেভাবে ভারতীয় লেখকের কলমে উঠে আসেনি বঙ্গের এই সভ্যতার কথা --- গবেষণার বিষয় হতেই পারে তা।প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গঙ্গারিডি সভ্যতার যে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলি আমরা পেয়েছি তার ভিতরে একহাতে জোড়া মাছ আর মাথায় চুলের মতো শস্য তথা ধান নিয়ে এক দেবীমূর্তি ছিল। মনে করা হয় এটি সমৃদ্ধির দেবী --- বঙ্গে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম অন্নদাত্রী দেবীমূর্তি। তারমানে বাঙালি তখন মাছে-ভাতে এক সমৃদ্ধ জাতি। তাম্রলিপ্ত, মহাস্থানগড় এসব তার নিদর্শন। বাঙালি তখন সারা পৃথিবীতে আখের গুড় সরবরাহ করছে, পরবর্তীতে চিনি-খণ্ড, স্ফটিক চিনি। ফলে চাল থেকে পিঠে, গুড়, পায়েস --- সমৃদ্ধ বাঙালির পাতে সহ-পদ হিসাবে মিষ্টি স্বাভাবিক বিষয়।এই গ্রন্থের পরিধি প্রায় ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে মোটামুটি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। ফলত চর্যাপদ, মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য, চৈতন্যকাব্য, অনুবাদকাব্য থেকে তুলে আনা হয়েছে মিষ্টির উদাহরণ, বিবর্তন। দুই-আড়াই বছরের বিরামহীন পঠন আর চিন্তনের ফসল এই গ্রন্থ। বিভিন্ন ক্ষেত্রের বেশকিছু মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও আলোচনা এই গ্রন্থকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। সহজ ভাষায় সকল পাঠকের কথা ভেবে এই গ্রন্থে রাজনৈতিক প্রভাব, সামাজিক প্রভাব, অর্থনীতি, ধর্ম, শহর, ছাপাখানা ইত্যাদির প্রভাব কীভাবে মিষ্টির ইতিহাসে জায়গা করে নিচ্ছে দেখানো হয়েছে তাও। এমনকি ভারতের অন্যান্য অংশ বা ভারতের বাইরে থেকে আসা মিষ্টি কীভাবে বঙ্গীকরণ হয়ে নতুন রূপে বাঙালির মিষ্টি হয়ে উঠছে, আলোচনায় এসেছে সেটিও।বিষয় সূচিঃ১. মধুর বচন২. বঙ্গের প্রাচীন সভ্যতার মিষ্টান্ন৩. বৈদিক ও আদিযুগে মিষ্টান্ন৪. আখচাষ ও গৌড়দেশ৫. মধ্যযুগ ও মঙ্গলকাব্যে মিষ্টান্ন৬. চৈতন্যদেব ও মিষ্টান্ন৭. বাঙালির অনূদিত মহাকাব্যে মিষ্টান্ন৮. বাঙালির নিজস্ব মিষ্টি দই৯. খাজা১০. লাড্ডু বা নাড়ু১১. বাঙালির মিষ্টির হেঁসেলে ডাল১২. বাংলায় ছানা ও মিষ্টি১৩. রসে ভরা গোল্লা রসগোল্লা১৪. হেলভা থেকে বাঙালির হালুয়া১৫. মোরব্বা আবার মিষ্টি নাকি?১৬. বাংলার কিছু প্রাচীন মিষ্টি এবং তার অবস্থা১৭. কিছু টিকে যাওয়া কিছু হারিয়ে যাওয়া ঘরোয়া মিষ্টি১৮. মিষ্টির ধর্ম, ধর্মের মিষ্টি১৯. বাংলায় কেক ও বেকারি২০. কলকাতায় পণ্য হিসাবে মিষ্টি২১. শেষ পাতে মিষ্টি হোকWe have made it easy for you to find a PDF Ebooks without any digging. And by having access to our ebooks online or by storing it on your computer, you have convenient answers with বঙ্গের মিষ্টান্ন সংস্কৃতি. To get started finding বঙ্গের মিষ্টান্ন সংস্কৃতি, you are right to find our website which has a comprehensive collection of manuals listed. Our library is the biggest of these that have literally hundreds of thousands of different products represented.