Description:সন্দেহ নেই, সাইয়্যেদ মানাযির আহসান গিলানী রহ. উরদূ সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান লেখক। অসাধারণ বোধ, সুতীক্ষ্ম অনুভূতি, দূরদর্শী বিশ্লেষণ ও ধীশক্তি তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। লেখার ধরন একান্তই আপদশীর স্বতন্ত্র। প্রচণ্ড আবেগতাড়িত স্বভাবের লেখক ছিলেন। এ কারণে তাঁর কলমে সবসময় শব্দসমুদ্রের বিক্ষুধ্ব ঊর্মিমালা খেলা করতো।তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভারতের বিহার রাজ্যের ‘গীলান’ নামের এক অজপাড়াগাঁয়ে। তাঁর পরিবারের সবাই ছিলেন কঠোর গায়রে মুকাল্লিদ। শিক্ষার্জনের অনিরুদ্ধ আগ্রহ তরুণ মানাযিরকে বহমান স্রোতের প্রতিকূলে নিয়ে আসে দারুল উলূম দেওবন্দের আলোকিত পরিবেশে। এখানে এসে ধীরে ধীরে বদলে যান তিনি। তাঁর বদলে যাওয়ার সে ইতিহাস-ই বিমূর্ত হয়েছে বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতে। বিষয়বস্তু ও শব্দের শক্ত গাঁথুনির বিচারে এটি নিঃসন্দেহে একটি শক্তিমান গ্রন্থ।ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে যে, দারুল উলূম দেওবন্দ আদর্শ মানব গড়ার এমন এক সূতিকাগার- যা যুগে যুগে এমন অসংখ্য মাটির ঢেলাকে স্বর্ণখণ্ডে পরিণত করেছে। সেই ইতিহাসের অনেকগুলো গল্প আমরা বড়দের মুখ থেকে হয়তো শুনেছি। কিন্তু ব্যক্তিবিশেষের বদলে যাওয়ার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত বই আমাদের সাহিত্যভাণ্ডারে খুঁজতে গেলে নিষ্ফল মনোরথেই ফিরতে হবে। ব্যতিক্রম হলো, আমাদের হাতের এ বইটি। না পাওয়ার আঁধারে যা একমাত্র পদ্মমানিক।বরেণ্য লেখক এ গ্রন্থটি রচনা করেছেন পরিণত বয়সের শেষপ্রান্তে এসে। জীবনের শেষ বেলায় এসে তারুণ্যের সোনাঝরা দিনগুলোর স্মৃতি রোমান্থনকালে তিনি তাঁর মসি দিয়ে সব্যসাচীর মতো চতুর্দিকে স্রেফ হাত ঘুরিয়ে গেছেন আর তাতেই জন্ম নিয়েছে চমৎকার এক সাহিত্য।আবেগপ্রবণ লেখকের কলমের ডগায় তার তারুণ্য ও প্রথম যৌবনের দিনগুলোতে ঘটে যাওয়া আরো অনেক ইতিহাসও উঠে এসেছে। আলোর খোঁজে বের হওয়া পথিক হয়ে লেখকের অন্ধকার পথে পথে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার কথাগুলোও উঠে এসেছে।কেমন ছিল শতবর্ষ পূর্বের দারুল উলূম দেওবন্দ? হযরত শায়খুল হিন্দ, আনওয়ার শাহ কাশমিরী, মুফতী আযীযুর রহমান, মিয়া আসগার হুসাইন, শাব্বীর আহমাদ উসমানী এবং হযরত সাইয়্যেদ হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ. প্রমুখ মনীষীগণ যখন দারুল উলূম আলোকিত করছিলেন, সেই সময় এই আলোকবর্তিকা হতে কীভাবে আলোকরশ্মির বিচ্ছুরণ ঘটছিল? সে সময় আসমানী জ্ঞানের এ ফল্গুধারা থেকে আলোর পথের পথিকরা কীভাবে আলো কুড়োতেন? যাঁদের ঈমানজাগানিয়া আত্মত্যাগ ও প্রাণান্তকর প্রয়াসের বদৌলতে বদলে গিয়েছিল পরাধীন ভারতের মানচিত্র, কেমন ছিল তাঁদের জীবন যাপনের চিত্র? ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর গ্রন্থটিতে স্ববাক হয়ে ওঠেছে।We have made it easy for you to find a PDF Ebooks without any digging. And by having access to our ebooks online or by storing it on your computer, you have convenient answers with স্মৃতির দর্পণে দারুল উলুম দেওবন্দ. To get started finding স্মৃতির দর্পণে দারুল উলুম দেওবন্দ, you are right to find our website which has a comprehensive collection of manuals listed. Our library is the biggest of these that have literally hundreds of thousands of different products represented.
Description: সন্দেহ নেই, সাইয়্যেদ মানাযির আহসান গিলানী রহ. উরদূ সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান লেখক। অসাধারণ বোধ, সুতীক্ষ্ম অনুভূতি, দূরদর্শী বিশ্লেষণ ও ধীশক্তি তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। লেখার ধরন একান্তই আপদশীর স্বতন্ত্র। প্রচণ্ড আবেগতাড়িত স্বভাবের লেখক ছিলেন। এ কারণে তাঁর কলমে সবসময় শব্দসমুদ্রের বিক্ষুধ্ব ঊর্মিমালা খেলা করতো।তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভারতের বিহার রাজ্যের ‘গীলান’ নামের এক অজপাড়াগাঁয়ে। তাঁর পরিবারের সবাই ছিলেন কঠোর গায়রে মুকাল্লিদ। শিক্ষার্জনের অনিরুদ্ধ আগ্রহ তরুণ মানাযিরকে বহমান স্রোতের প্রতিকূলে নিয়ে আসে দারুল উলূম দেওবন্দের আলোকিত পরিবেশে। এখানে এসে ধীরে ধীরে বদলে যান তিনি। তাঁর বদলে যাওয়ার সে ইতিহাস-ই বিমূর্ত হয়েছে বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতে। বিষয়বস্তু ও শব্দের শক্ত গাঁথুনির বিচারে এটি নিঃসন্দেহে একটি শক্তিমান গ্রন্থ।ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে যে, দারুল উলূম দেওবন্দ আদর্শ মানব গড়ার এমন এক সূতিকাগার- যা যুগে যুগে এমন অসংখ্য মাটির ঢেলাকে স্বর্ণখণ্ডে পরিণত করেছে। সেই ইতিহাসের অনেকগুলো গল্প আমরা বড়দের মুখ থেকে হয়তো শুনেছি। কিন্তু ব্যক্তিবিশেষের বদলে যাওয়ার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত বই আমাদের সাহিত্যভাণ্ডারে খুঁজতে গেলে নিষ্ফল মনোরথেই ফিরতে হবে। ব্যতিক্রম হলো, আমাদের হাতের এ বইটি। না পাওয়ার আঁধারে যা একমাত্র পদ্মমানিক।বরেণ্য লেখক এ গ্রন্থটি রচনা করেছেন পরিণত বয়সের শেষপ্রান্তে এসে। জীবনের শেষ বেলায় এসে তারুণ্যের সোনাঝরা দিনগুলোর স্মৃতি রোমান্থনকালে তিনি তাঁর মসি দিয়ে সব্যসাচীর মতো চতুর্দিকে স্রেফ হাত ঘুরিয়ে গেছেন আর তাতেই জন্ম নিয়েছে চমৎকার এক সাহিত্য।আবেগপ্রবণ লেখকের কলমের ডগায় তার তারুণ্য ও প্রথম যৌবনের দিনগুলোতে ঘটে যাওয়া আরো অনেক ইতিহাসও উঠে এসেছে। আলোর খোঁজে বের হওয়া পথিক হয়ে লেখকের অন্ধকার পথে পথে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার কথাগুলোও উঠে এসেছে।কেমন ছিল শতবর্ষ পূর্বের দারুল উলূম দেওবন্দ? হযরত শায়খুল হিন্দ, আনওয়ার শাহ কাশমিরী, মুফতী আযীযুর রহমান, মিয়া আসগার হুসাইন, শাব্বীর আহমাদ উসমানী এবং হযরত সাইয়্যেদ হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ. প্রমুখ মনীষীগণ যখন দারুল উলূম আলোকিত করছিলেন, সেই সময় এই আলোকবর্তিকা হতে কীভাবে আলোকরশ্মির বিচ্ছুরণ ঘটছিল? সে সময় আসমানী জ্ঞানের এ ফল্গুধারা থেকে আলোর পথের পথিকরা কীভাবে আলো কুড়োতেন? যাঁদের ঈমানজাগানিয়া আত্মত্যাগ ও প্রাণান্তকর প্রয়াসের বদৌলতে বদলে গিয়েছিল পরাধীন ভারতের মানচিত্র, কেমন ছিল তাঁদের জীবন যাপনের চিত্র? ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর গ্রন্থটিতে স্ববাক হয়ে ওঠেছে।We have made it easy for you to find a PDF Ebooks without any digging. And by having access to our ebooks online or by storing it on your computer, you have convenient answers with স্মৃতির দর্পণে দারুল উলুম দেওবন্দ. To get started finding স্মৃতির দর্পণে দারুল উলুম দেওবন্দ, you are right to find our website which has a comprehensive collection of manuals listed. Our library is the biggest of these that have literally hundreds of thousands of different products represented.